এটাই চোর ধরার সহজ পদ্ধতি?

 

কীভাবে চোর ধরা হয়: 

আপনার জিনিস চুরি হয়ে গেছে, কে চুরি করছে বুঝতে পারছেন না।  সম্পূর্ণ পড়ুন  বুঝতে পারবেন কীভাবে চোর ধরবেন। বহুকাল আগে এক পদ্ধতি অবলম্বন করে গ্রামে চোর ধরা হতো। এমনকি এখনও পর্যন্ত হয়ে থাকে। পদ্ধতি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
 
আপনার জিনিস চুরি হয়েগেছে। বুঝতে পারছেন না কে চুরি করছে। কিন্তু আপনার কয়েকজনের প্রতি সন্দেহ হচ্ছে। এবার আপনি সন্দেহ ভাজন সকলকে ডাকুন। সকলের জন্য মন্ত্রপুত আটা অথবা ময়দার গুলি নিয়ে আসুন। এই মন্ত্রপুত আটার অথবা ময়দার গুলি কোথায় পাবেন অথবা নিজে কীভাবে তৈরি করবেন,কী মন্ত্র ব্যবহার করবেন তা আমারা শেষে জানিয়ে দেবো। এবার আপনি একটি কাঁচের গ্লাসে জল নিয়ে আসুন। গ্লাসটিকে টেবিলের উপর রেখে দিন এবং মন্ত্রপুত গুলি গুলো  সন্দেহ ভাজন সকলের হাতে একটা করে দিয়ে দেন। সকলকে বলুন ঐ গুলিকে জল ভর্তি গ্লাসের মধ্যে রাখতে। আপনি লক্ষ্য রাখুন কার ঐ আটার অথবা ময়দার গুলি জলে ভেসে উঠেছে। যার গুলিটি  ভেসে উঠবে সে আপনার জিনিস চুরি করছে এবং যদি একাধিক ব্যক্তির গুলি ভেসে উঠে তাহলে একাধিক ব্যক্তি মিলে আপনার জিনিস চুরি করেছে।
আপনার কি মনে হয় এইভাবে চোর ধরা সম্ভব। যদি না বলেন তাহলে আপনার জেনে রাখা ভালো বহুকাল আগে এই পদ্ধতির সাহায্যে গ্রামে চোর ধরা হতো। এমনকি এখনও অনেক গ্রামে এমন হয়ে থাকে। কিন্তু এটা অন্ধবিশ্বাস ছাড়া আর কিছু না। এভাবে চোর ধরা কখনো সম্ভব নয়।
 
আপনার জেনে রাখা ভালো যে আগে গ্রামের মানুষ এতো শিক্ষিত ছিল না। চুরি হয়ে গেলে পুলিশের কাছে যেতে ভয় পেতেন। তাদের বিশ্বাস ছিল গ্রামের গুনিন, ওঝার সাহায্যে সহজেই চোর ধরা যাবে। তাই তারা মন্ত্রপুত আটার অথবা ময়দার গুলি নিয়ে আসত এবং ঐ ভাবে চোরকে ধরা হতো। যে ব্যক্তির গুলি ভেসে ওঠে তাকে গ্রামের মানুষ ডান্ডা দিয়ে মারত। ব্যক্তি চুরি না করলে বিনা দোষে মারখেতে হতো এবং জরিমানা হতো।
 

কীভাবে মন্ত্রপুত গুলি তৈরি করা হয় : 

সমস্ত আটার অথবা ময়দার গুলি ডুবে গেলেও এই আটার গুলি ভেসে যেত কারণ এই আটার গুলিতে সম্পূর্ণ আটা থাকে না। এই আটার গুলির মধ্যে থারমোকলের টুকরো থাকতো। আর মন্ত্র ব্যবহার করে এই গুলিকে মন্ত্রপুত গুলি করা হতো। আপনিও নিজে এইভাবে বাড়িতে বসে মন্ত্র ছাড়াই গুলি তৈরি করতে পারবেন।
 
* আমাদের অনুরোধ কখনো কিছু চুরি গেলে গুনিন,ওঝার কাছে না গিয়ে পুলিশের কাছে যাবেন।